জ্বর
আজ অনেকদিন বাদে গরপারে ডাক্তার পি কে দত্তর চেম্বারে গেলাম। ঠিক করেছি যে ছোটখাটো জ্বর-জারি হলে আর আ্যলোপ্যাথি ডাক্তার দেখাবো না। হোমিওপ্যাথিতে সারার হলে সারবে, না হলে এমনিই সারবে। ডাক্তারবাবু স্বাভাবিক কারণেই আমায় চিনতে পারলেন না। শেষ এসেছি সেই কোন ছোটবেলায়। বাবার নাম বলাতে চিনতে পারলেন। 'তুমি এত বড় হয়ে গ্যাছো!' 'রাস্তায় দেখলে তো চিনতেই পারতুম না। ছোটবেলায় মায়ের সাথে আসতে। তখন তুমি কত্তোটুকু।' অবশ্য আমিও ওনাকে দেখলে চিনতে পারতাম না। চুল সবই পেকে গেছে। আগে গোঁফ ছিল, সেটা আর এখন নেই। আগে চেহারাটা বেশ ভারিক্কি ছিল, এখন আর তা নেই। তবে ওনার ছোট্ট চেম্বারটা অবিকল এক রকম আছে। পেশেন্ট এলে যে বেঞ্চগুলোয় বসে, সেগুলো একই আছে। তিনটে তাক-ভর্তি সারিসারি ওষুধের শিশি। আর সিলিং-এ একটা খুব ছোট পাখা। 'তা এখন কি করচো?' 'কলেজে পড়াচ্ছি।' কলেজে পড়াচ্ছ? বা বা! কত্তো বড় হয়ে গ্যাছো আ্যঁ!' বড় হয়ে যাওয়া নিয়ে আরো বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা চললো। যাই হোক, জ্বর হয়েছে শুনে আগের মতো এটাসেটা মিশিয়ে দু-শিশি ওষুধ তৈরি করে দিলেন। (এখন আর আগের মতো কর্ক নেই, শিশি'র মুখে প্লাস্টিকের ছ...